মায়াবতী, পর্ব:১

মায়াবতী, পর্ব:১

লেখা:Khayrun Nesa Ripa


বিছানায় শুয়ে অতিতের স্মৃতিগুলি আওরাচ্ছে ঈশা।ভাবতে ভাবতে ঘুম হাওয়া হয়ে গেছে চোখ থেকে।তাই বিছানা ছেড়ে এগুলো ছাদের দিকে
ততক্ষণে ঈশার পরিচয় দিয়ে দেই
বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে ঈশা।কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে বাবা মাকে একটা এক্সিডেন্টে হারিয়ে ফেলেছে।তখন ঈশা মাত্র ক্লাস টু তে পড়তো।খুব সাধাসিধে ফ্যামিলিরর মেয়ে ছিলো ঈশা।বাবা সল্প বেতনের একটা জব করতো।তাতেও ওদের পরিবারটা খুব হ্যাপীই ছিলো।কোনো অভাবই যেন ছিলো না।এত স্বল্প বেতনেও ওদের পরিবারটা খুব সুন্দর ভাবে চলে যেতো।হয়তো ঈশার বাবা মা বেচে থাকলো ওর আরও ভাই বোন থাকতো।হয়তো আজকের মত এমন নিঃস্বঙ্গ জীবন কাটাতে হত না।বাবা মা মারা যাওয়ার পর ওর চাচার কাছে ছিল ঈশা কিন্তু চাচাও আর্থিক দিক থেকে সচ্ছল নয়।অন্যদিকে চাচির অশান্তি। ঈশা যখন ক্লাস ফাইভে পড়তো তখন একদিন ঈশার চাচি ওর চাচাকে কসম দেয় যাতে ঈশাকে ঘর থেকে বের করে দেয় না হলে ওর চাচি আর ওর চাচার সংসার করবে না।ওর দুইটা চাচাতো বোন আর একটা চাচাতো ভাই তারউপর জুটেছে ঈশা।তাই ঈশাই সব শুনে ওর চাচাকে বললো ওকে যেন কোনো একটা কাজে দিয়ে দেয়।তারপরই ওর চাচা ঈশাকে একটা বড় বাড়িতে ওকে কাজ করতে দিয়ে দেয়।সেদিন একমাত্র ভাতিজিকে বুকে জড়িয়ে ধরে খুব কেঁদেছিলো ওর চাচা সাথে পাল্লা দিয়ে ঈশাও খুব কেঁদেছে।প্রথম প্রথম ওর চাচা ওকে এসে দেখে যেত। কিন্তু এখন আর আসে না।ঈশার চাচি আসতে দেয় না।সংসারে অসান্তি হবে ভেবেই,সব যেনে ঈশাই ওর চাচাকে আসতে না বলে দিয়েছে।কি দরকার শুধু শুধু অসান্তি বাড়ানোর।সেদিনের পর আর আসেনি ঈশার চাচা ওকে দেখতে।পৃথিবীতে শুধু আপন বলতে একমাত্র চাচাই ছিলো।এভাবেই কেটে গেলো ছয়টা বছর।যখন চাচার কথা খুব মনে পরতো বালিসে মুখ গুজে কাদতো ঈশা।ঈশা যেই বাড়িতে কাজ করছে সবাই খুব ভালো পায় ঈশাকে।আর বড় মা তো ঈশাকে চোখেই হারায়( চৌধূরী পরিবারের বড় বউ।খুব ভালো মনের মানুষ বড় মা।সবার চোখের মনি।)সব হারিয়েও যেন সব ফিরে পেয়েছে ঈশা।কিন্তু তবুও মাঝে মাঝে মা বাবাকে খুব মিস করে তার সাথে চাচাকেও।কিন্তু ঈশার আর একটা স্বপ্ন, স্বপ্নই রয়ে গেলো।খুব ইচ্ছা ছিলো পড়াশুনো করে বড় ডাক্তার হবে।কারন ঈশার বাবা মা চিকিৎসারর অভাবেই মারা গেছে।সেই থেকেই খুব ইচ্ছা ছিলো ডাক্তার হয়ে মানুষের পাশে দাড়াবে প্রয়োজনে বিনা পয়সায় মানুষের সেবা করবে।আজ সবই স্বপ্ন।চৌধুরী পরিবারের সবাই ঈশাকে খুব ভালোবাসলেও কেউ ওর পড়াশুনার ব্যপারে কখনো খেয়াল করেনি।ক্লাস ফাইভ পর্যন্তই পড়ালেখা সিমাবদ্ধ।প্রাইমারির গন্ডি পেরিয়ে আর মাধ্যমিকে পা রাখা হলোনা ঈশার।পড়ালেখাতে খুবই ভালো ছিলো ঈশা। সেই হিসেবে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত পড়লেও ইংরেজি, বাংলা খুব ভালই বোঝে।কিন্তু ম্যাথটা ওই ভাবে বুঝতে পারে না।অবশ্য না পাড়ারই কথা।ফাইভ পর্যন্ত পড়ে তো আর ক্লাস টেন এর অংক পাড়া সম্ভব নয়। আজ ষোলতে পা রাখলো ঈশা।আজ যে ওর জন্মদিন কেউই জানে না।এমনকি এত বছরেও কেউ জানতে চায় নি।আর সবসময়ই এই দিনটাতে কাছের মানুষগুলোকে খুব মিস করে ঈশা।আর মনের কোনে সাজানো কথা গুলোকে সবসময় ডায়রিতে খুব সুন্দর করে সাজিয়ে লিখে রাখে মনটা হালকা করার জন্য। আর এই কথাগুলিই এতক্ষণ ভেবে ঘুম হারিয়ে গেছে ঈশার।বুকটা হাজারো কষ্টে ভরে উঠেছে।কষ্টটাকে দমিয়ে রাখার জন্যই ছাদে চলে গেছে যাতে কষ্টটা একটু হলেও কমে......
ছাদে
একা একা দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।আর চোখগুলো থেকে টুপটুপ করে পানি পড়ছে.....
তখনি ঈশানেরর আগমন ঘটলো।যে ঈশার একমাত্র ভয়ের কারন।খুব বেশিই ভয় পায় ঈশা ঈশানকে।এত বছরেও এক বাড়িতে থেকে ভয়টা কাটিয়ে উঠতে পারে নি ইশা ( বড় মা র আদরের একমাত্র ছোট ছেলে।খুব বেশিই স্মার্ট। আর যেকোনো মেয়ের ক্রাশ খাওয়ার মত লুক।সারাদিন মেয়েদের সাথে ডেটিং, লং ড্রাইভিং, মজা,মাস্তি করেই দিন কাটে তার। আর নামটা কাকতালীয় ভাবেই ঈশার নামের সাথে মিলে গেছে)
ঈশান: কি করছিস এত রাতে এখানে???( রাগী গলায়)
ঈশানের গলার আওয়াজ পেয়েই ভয়ে গলাটা শুকিয়ে আসলো ঈশার।কেনো যে ঈশা ঈশানকে এত ভয় পায় তার কারন ঈশা নিজেও জানে না।তাই তাড়াতাড়ি ওড়না দিয়ে চোখটা মুছে সামনের দিকে ঘুরে নিচের দিকে তাকিয়ে বললো...
ঈশা: কিছু না( ভয়ে ভয়ে)
ঈশান: তাহলে ঘুমাতে যা
ঈশা: আচ্ছা। বলে চলে যেতে নিলেই ঈশান বললো...
ঈশান: শোন
থমকে দাঁড়ালো ঈশা ভয়ে পা দুটো কাপছো আবার ঈশান রাগ করবে না তো???
ঈশান: তুই আমাকে এত ভয় পাস কেনো??(ঈশার সামনে দাড়িয়ে)
ঈশা: ক...কই না তো( তোতলাতে তোতলাতে). ঈশান: কি হয়েছে ঈশু তুই কাঁদছিস কেনো??
আচমকা ঈশানের মুখে ঈশু কথাটা শুনে ঈশা ছলছল চোখে ঈশানের দিকে তাকালো।ঈশান কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঈশা ঈশানকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো।ঈশান যেন বোকা বনে গেল।ঈশার এই কান্নার কারন কিছুই বুঝতে পারলো না।যে মেয়েটা ঈশানকে এত ভয় পায় সবসময় ঈশানের থেকে পালিয়ে বেড়ায় কি এমন হলো যে সেই মেয়েটাই ঈশানকে জড়িয়ে ধরেছে।ঈশার ঘোর কাটতেই এক ঝটকায় নিজেকে ঈশানের কাছ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিলো।হাত দুটো জোড় করে ঈশানের সামনে হাটুগেরে বসে পরলো......
ঈশা: সরি ছোট সাহেব।আমার অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে।আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।এমন ভুল আর কখনো হবে না।দয়া করে এইকথা বাড়ির কাউকে জানাবেন না।তাহলে আমাকে এই বাড়ি থেকে বের করে দিবে।আমি আর কক্ষনো এমনটা করবো না।আসলে কেউ আমাকে ঈশু বলে ডাকলে আমি সব ভুলে যাই।এই নামেই বাবা সবসময় আমাকে ডাকতো।হঠাৎ আপনি এই নামে ডাকায়,কেনো যেন মনে হলো বাবা ডাকছে তাই এই ভুলটা হয়ে গেছে।একদমে কাঁদতে কাঁদতে কথাগুলো বলে দৌড়ে নিজের রুমে চলে গেল ঈশা।ঈশানকেও কিছু বলার সুযোগ দিলনা।
ঈশার শেষের কথাগুলো শুনে খুব খারাপ লাগলো আবার হাসিও পেলো
ঈশান: সত্যিইই মেয়েটা পাগল নাকি??? আমাকে নাকি ওর বাবার মতো মনে হয়েছে।কথাটা বলেই খুব জোড়ে হেসে দিলো ঈশান।
কেনো যেন ঈশানের খুব ইচ্ছে করছে একবার ঈশার রুমে গিয়ে দেখতে কি করছে ঈশা?? কখনো যাওয়া হয়নি ঈশার রুমে।তবে সারাক্ষণি ঈশান ঈশাকে চোখে হারায়।এটা ঈশানের ভালোবাসা নাকি করুনা সেটা আজও ঈশান বুঝতে পারছে না।ঈশানের সব কাজ ঈশাকেই করতে হবে বাসায় এসে ঈশাকে না দেখলে পুরো বাড়ী চিৎকার করে মাথায় তুলে। আর কোনো কাজের ভুলত্রুটি হলে তো আর রক্ষে নেই।সাথে সাথেই শাসন শুরু।আর ঈশা বেচারি ভুলেও ঈশানের ধারে কাছে আসতে চায় না।না এসেও উপায় নেই।না আসলে তো পুরো বাড়ি মাথায় করবে।ঈশা অনেক বারই বড় মাকে বলেছে যে,ও ঈশানের কোনো কাজ করবে না।তখন বড়মা বলে তুই ছাড়া তো আর কাউকেই ওর কাজ করতে দেয়না।তাই তোকেই করতে হবে।
অনেক ভেবে চিন্তে পা বাড়ালো ঈশার রুমের দিকে।ঈশার রুমটা ঈশানের রুমের ঠিক সামনে। দরজাটা খোলাই ছিলো। কয়েকবার দরজায় নক করলো ঈশান। সাড়া না পেয়ে ভেতরে ঢুকলো।দেখলো ঈশা ঘুমিয়ে আছে।
ষোল বছরের একটা রাজকুমারী বিছানায় কি সুন্দরভাবেই না শুয়ে আছে।মুখটা খুব বেশিই মলিন লাগছে আজ।ঈশা একেবারে ফর্সা।ঈশান কখনো এত ফর্সা মেয়ে দেখেনি।ইনফেক্ট ঈশানের বাসার কেউই এমন ফর্সা মেয়ে এর আগে দেখেনি।অনেকটা ইংরেজদের মত ফর্সা।ভাগ্যিস চুল গুলো ইংরেজদের মত হয়নি।তাহলে তো সবাই সত্যি সত্যি ঈশাকে ইংরেজ ভাবতো।ঈশার চুলগুলো কোঁকড়া।কোমড় সমান চুলগুলি। কোঁকড়া না হলে হয়ত আরও বড় দেখাতো চুলগুলোকে। ঈশানের কাছে মনে হয় ঈশা কোনো সাদা পরী।তখনি হারিয়ে যায় কল্পনার রাজ্যে।মনের কোনে বিচরন করে হাজারও জল্পনাকল্পনা। সত্যি কি সাদা পরী এত সুন্দর হয় যেমনটা ঈশা।এমন হাজারো প্রশ্ন মনের কোনে বাসা বাধে ঈশানের।
গাল দুটো আর নাকটা লাল টুকটিকে হয়ে আছে ঈশার।হয়তো খুব বেশি কাদার কারনে।ঈশার মায়াময় মুখটার দিকে তাকিয়ে কোথায় যেন হারিয়ে গেলো ঈশান।খুব ভালোলাগা কাজ করছে ঈশানের পুরো শরীর জুরে।ঈশার একপাশে চুল গুলি এসে এলিয়ে রয়েছে।যা ঈশার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।ঠোট জোড়া গোলাপের পাপড়ীর মতো লাল টুকটুকে।মলিন মুখটাতেও যেন হাসি লেগে আছে। অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর ঈশান দেখলো ঈশার পাশে একটা ডায়রি।একবার ভাবলো ডায়রি টা দখবে কিনা? পরক্ষনে ভাবলো কি দরকার কারো পারসোনাল জিনিস ধরার।কিন্তু নিজের মনকে বোঝাতে পারলো না ঈশার রুম থেকে ডায়রিটা নিয়ে নিজের রুমে চলে আসলো ঈশান।এরপর ডায়রিটা পড়তে লাগলো।সারারাত ডায়রিটা পড়েই কাটিয়ে দিলো।ডায়রির শেষ পাতায় গতকাল রাতে লিখেছে ঈশার জন্মদিনের কথা।
ডায়রিটা পড়ে খুবই কষ্ট হচ্ছে ঈশানের।কিন্তু কেনো এত কষ্ট হচ্ছে সেটাই বুঝতে পারছে না।পরক্ষনেই ভাবলো একজনের কষ্ট হলে তো অন্য যে কারোরই কষ্ট হবে এটাই তো স্বাভাবিক।এটা ভেবেই নিজের মনকে বোঝালো ঈশান।এরপর একটা ঘুম দিল।দুই ঘন্টা পরে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে নিজের রুমে ঈশাকে ডাকলো
ঈশা: ছোট সাহেব কি বলবেন?? তাড়াতাড়ি বলুন( ভয়ে ভয়ে)
ঈশান: তোকে কতবার বলেছি না আমাকে ছোট সাহেব ডাকবি না( রাগী গলায় বললো)
ঈশা: তাহলে কি ডাকবো( ভয়ে ভয়ে)
ঈশান: ছোট স্যার বলে ডাকবি
ঈশা: আচ্ছা
ঈশান: বোস এখানে
ঈশা : কেনো??
ঈশান: চুমো খাব তাই
ঈশান এমন একটা কথা বলেবে বুঝতে পারে নি ঈশা।
ঈশান: এখনো দাঁড়িয়ে আছিস কেনো? বোসতে বললাম না( ধমক দিয়ে) সাথে সাথে বসে পড়লো ঈশা।ঈশান ঈশার সামনেই চেঞ্জ করতে শুরু করে করলো।ঈশার,খুবই অস্বস্তি হচ্ছে কিন্তু কিছুই বলতে পারছে না।যখন ঈশান ঈশার সামনে শার্টটা খুলে ফেললো তখন ঈশা তাড়াতাড়ি চোখটা বন্ধ করে ফেললো
ঈশা: স্যার আমি এখন যাই
ঈশান: আমি কি যেতে বলেছি?? আর এভাবে চোখ বন্ধ করে রাখার কি আছে( ড্রেসিং টেবিলের আয়না ঈশাকে দেখলো চোখ বন্ধ করে আছে)
কথাটা শুনেই তাড়াতাড়ি চোখ মেললো ঈশা।
ঈশা: প্লীজ স্যার আমি এখন যাই।
ঈশান: না।তোমাকে তো এখনো শাস্তিই দেওয়া হলো না।বাব্বাহ কাল যেভাবে জড়িয়ে ধরেছো আর একটু হলে তো তো আমার দমটাই বেড়িয়ে আসতো।
ঈশা: স্যার আপনি আমায় শাস্তি দিবেন??স্যার বললাম তে আমার অনেক বড় ভুল হয়ে গেছে আর এমনটা হবে না( কাদো কাঁদো গলায় বললো)
ড্রেসিং টেবিলের আয়না ঈশার ভয়ে চুপসে যাওয়া মুখটা দেখে খুব হাসি পাচ্ছে ঈশানের। কোনো রকমে হাসিটা কন্ট্রোল করলো)
ঈশান: ভুল তো ভুলই।যেটা করে ফেলেছো তার শাস্তি তো পেতেই হবে
এবার ঈশা সত্যি সত্যি কেঁদে ফেললো
ঈশান : এই এই কাঁদছিস কেনো তুই।এ কথা বলে সামনে ফিরতেই ঈশা দুপা জড়িয়ে ধরলো ঈশানের
ঈশা: স্যার আমার ভুল হয়ে গেছে।আর কখনো করবো না😭😭😭😭
ঈশান: আরে আরে কি করছিস কি? পা ছাড়( ধমক দিয়ে)
ঈশা পা ছেড়ে ঈশানের সামনে উঠে দাঁড়িলো।পুরো মুখ লাল হয়ে গেছে।ভয়ে কাঁপছে। তখনি ঈশান ঈশার দুই বাহুতে হাত রাখলো।এবার ঈশার কাঁপুনি আরও বেড়ে গেলো।গোলাপি ঠোটদুটি খুব বেশিই কাঁপছে। ঈশান বাহু ছেড়ে হাত দুটো দিয়ে ঈশার মুখটা উচু করে ধরলো।সঙ্গে সঙ্গে ঈশা চোখ বন্ধ করে ফেললো।ঈশার চোখগুলো পানিতে ভেজা, কপালে, নাকে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে আছে।কোনো এক অজানা শক্তি ঈশানকে ঈশার ঠোট জোড়ার,দিকে খুব টানছে।আস্তে আস্তে এগিয়ে চললো ঈশানের ঠোট জোড়া ঈশার ঠোটের দিকে।হঠাৎ করেই ঈশান ঈশাকে ছেড় দিলো
ঈশান: উফ এ কি করছি আমি( মনে মনে বললো)
এখনো একই যায়গায় দাঁড়িয়ে আছে ঈশা
ঈশান: তোর একটা কামিজ নিয়ে আয় তো
ঈশা: কেনো?
ঈশান: আমি পরবো তাই।যখনি কিছু বলি তখনি মেডাম প্রশ্ন করবে কেনো?? যেন উনি প্রশ্ন কর্তা।
এরপর ঈশা আর কিছু না বলে নিজের রুমে গিয়ে একটা কামিজ নিয়ে আসলো।কামিজটা ভালোভাবে দেখে ঈশান রুমে থেকে বেড়িয়ে গেলো। ঈশানের পিছু পিছু ঈশাও বেড়িয়ে আসলো রুম থেকে। ............................
মায়াবতী, পর্ব:১ মায়াবতী, পর্ব:১ Reviewed by EasyTalk on 11:44 PM Rating: 5

No comments:

Music

ads 728x90 B
Powered by Blogger.